|
মনোয়ার হোসেন, ২৮ জুলাই (শীর্ষ নিউজ ডটকম): রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আগামী রমজানের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো ছাড়াও এ আলোচনায় থাকবে আইনজ্ঞ ও সুশীল সমাজ। কমিশনে নিবন্ধিত ৩৮টির মধ্যে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো ছাড়াও বাকিগুলোর সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে তাদের সাথেও আলোচনা করা হতে পারে বলে জানা যায়। তাদের সঙ্গে আলোচনার মধ্যে থাকছে গণপ্রতিনিধিত্ব
অধ্যাদেশ ৭২-এর সংশোধনীর খসড়া, সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ, স্টেট ফান্ডিং গঠনসহ বেশ কয়েকটি বিষয়। এদিকে, বর্তমান আইনে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বন্টনের কথা বলা হয়েছে। এতে রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোর আসন সংখ্যা বেড়ে গেলেও তা কমছে গ্রামাঞ্চলে। গত সংসদ নির্বাচনের আগে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বন্টন হওয়ায় ঢাকায় তা ৮ থেকে ১৫টিতে দাঁড়িয়েছে। অথচ বরগুনার আসন সংখ্যা তিন থেকে দুটিতে আনতে হয়েছে। এতে জনপ্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় গ্রামের উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে বলে ধারণা করছে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে ঢাকাসহ বড় শহরের আসন সংখ্যা ভৌগোলিক সীমানায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সীমানা জনসংখ্যার ভিত্তিতে করার সুপারিশ করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, উল্লেখিত বিষয়গুলো ছাড়াও সংলাপে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হতে গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ১% ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা, প্রার্থী কোন জনসভা না করে কমিশনের উদ্যোগে সব প্রার্থীকে নিয়ে একটি করে জনসভার আয়োজন, কমিশন কর্তৃক ভোটার স্লিপ বিতরণ, আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি, নির্বাচনী ব্যয়ের ব্যাপারে আরো স্বচ্ছতা আনা, প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ব্যয় ১৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা, ভোটার পিচু খরচ পাঁচ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাত টাকা, প্রার্থীর ব্যক্তিগত খরচ বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক দলের ব্যয় বৃদ্ধির ব্যাপারে আলোচনা করা হবে। সংসদীয় আসন বৃদ্ধি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, আলোচনায় আসন বাড়ানোর সুপারিশ করা হবে না। এটি কমিশনের এখতিয়ার নয়। তবে এ বিষয়টি আলোচনায় উঠলে শহরের আসন সংখ্যা না বাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলের আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হবে। (শীর্ষ নিউজ ডটকম/এমএইচটি/এস/০০.১২ ঘ.) |