|
ঢাকা, ২৯ জুলাই (শীর্ষ নিউজ ডটহম): রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরের সামনে আজ দুপুরে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মতিঝিল পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই মোহাম্মদ ফারুকসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। দুপুর ২টার দিকে সিটি সেন্টারের কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল শাপলা চত্বরের দিকে যায়। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা মহানগর জামায়াত সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ
এমপি। তিনি শাপলা চত্বরের কাছাকাছি গিয়ে এক মিনিটের বক্তব্য রেখে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন। কর্মীরা রাস্তা ছেড়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুর রহমান আযাদকে গ্রেপ্তার করতে কর্ডন করে ফেলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ হামিদুর রহমান আযাদকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে চাইলে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মারমুখো হয়ে পুলিশ সদস্যদের ঘিরে ফেলে। এক পর্যায়ে জামায়াতের কর্মীরা দুজন পুলিশ সদস্যকে কিল, ঘুষি মারতে থাকে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছাড়াও ফুটপাতে বসা দোকানিদের আম, পেয়ারা ছুড়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এ অবস্থায় পুলিশ পিছু হটলে হামিদুর রহমান আযাদ দৌঁড়ে পালিয়ে যান। পুলিশ হামিদুর রহমান আযাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে বলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান। আহত পুলিশ কর্মকর্তা মতিঝল পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই মোহাম্মদ ফারুক শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে তিনি আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে জামায়াত-শিবিরের কর্মী সন্দেহে নাজমুল আহসান, খলিল, দীপক, মাঈনুদ্দিন, আমীরুল ইসলামসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর প্রত্যেকে নিজেদের পথচারী বলে দাবি করেন। এর মধ্যে বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা খলিল নিজেকে রাজমিস্ত্রী দাবি করে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগ করেন। মাইনুদ্দীন ঢাকা ডেকোরেটরের কর্মচারী ও আমীরুল ইসলাম বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের ভাগ্নে দাবি করেন। জামায়াতের পাঁচ শীর্ষ নেতাসহ বিরোধীদলের সকল নেতা-কর্মীর মুক্তির দাবিতে আজ সারা দেশে জামায়াতে ইসলামী বিক্ষোভ সমাবেশ ঘোষণা করেছিল। তার অংশ হিসেবেই মতিঝিলে মিছিল বের করা হয়। (শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসআর/এসসি/১৭.৪০ঘ.) |